
অনলাইন ডেস্ক :
গত তিন বছরে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বাসের চালক ও হেল্পাররা ১৪ জন যাত্রীকে বাস থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, কোনো ঘটনায় বিচার না হওয়ায় চালক ও হেলপাররা বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, চালক-হেল্পাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে মালিকরা মামলার হুমকি দেয়। আর মালিক পক্ষের অতি মুনাফার লোভের কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তারা বাড়তি ভাড়া আদায় করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এ নিয়ে প্রতিদিনই যাত্রীদের সঙ্গে ঝামেলা হয়। আর চালক-হেলপাররা সংঘবদ্ধ হয়ে যাত্রীদের ওপর চড়াও হয়। গত তিন বছরে ঢাকা, গাজীপুর ও চট্টগ্রামে এভাবে ফেলে দিয়ে ১৪ জন যাত্রীকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই চালক-হেলপারদের কোনো প্রশিক্ষণও দেয়া হয় না। তাদের বড় একটি অংশ আবার মাদকাসক্ত। এর জবাবে সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েতুল্ল্যাহ বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের আমরা প্রতিবাদ জানাই। বিচার দাবি করি। এরইমধ্যে চালক ও হেলপারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আইনে যা আছে তাই শাস্তি হবে। তবে তিনি দাবি করেন, চালকদের সঠিক প্রশিক্ষণের দায়িত্ব শুধু মালিকদের নয়, বিআরটিএ’রও দায় আছে। আর আমরা তো বাসে থাকি না। পথে তাদের নিয়ন্ত্রণের জন্য ট্রাফিক পুলিশ আছে। আমরা তাদের মাদকমুক্ত রাখার জন্য ডোপ টেস্টের নিয়ম করেছি। এখন বিআরটিএ সেটা কীভাবে করছে তা তো বলতে পারব না।
