চিকিৎসা বর্জ্যের কারণে বছরে ৪০ লাখ শিশুর মৃত্যু

চিকিৎসা বর্জ্যের কারণে বছরে ৪০ লাখ শিশুর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক :

বিশ্বে অন্যান্য অনেক বর্জ্যের মতোই বাড়ছে চিকিৎসা বর্জ্য। আর চিকিৎসা বর্জ্যের কারণে সৃষ্ট রোগে ৪০ লাখ শিশুসহ ৫২ লাখেরও বেশি মানুষ মারা যায় বলে দাবি করেছেন এক ভারতীয় চিকিৎসক। শনিবার (১৫ অক্টোবর) উত্তর প্রদেশ রাজ্যের লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে (কেজিএমইউ) ‘বায়ো-মেডিকেল বর্জ্য ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য টেকসই কাট-এজ প্রযুক্তি’ বিষয়ক এক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা যায়। শীতল বর্মা বলেন, ‘উন্নয়নশীল দেশের হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন গড়ে আড়াই থেকে তিন কিলোগ্রাম জৈব বর্জ্য তৈরি হয়। কোভিড-১৯ পরবর্তী সময় চিকিৎসা বর্জ্যের পরিমাণ অনেক বেড়েছে। করোনা চলাকালীন ভারতজুড়ে প্রতিদিন ৬৫৬ টন ওজনের বায়োমেডিকেল বর্জ্য তৈরি হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে যে, সারা বিশ্বে চিকিৎসা বর্জ্যের কারণে সৃষ্ট রোগের ফলে ৪০ লাখ শিশুসহ ৫২ লাখের বেশি মানুষ মারা যান।’ পরিবেশবিদদের মতে, রক্তমাখা তুলা, গজ, সিরিঞ্জের মতো চিকিৎসা বর্জ্য পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যের পক্ষে যথেষ্ট ক্ষতিকারক। তাই আর পাঁচটা বর্জ্যের মতো এগুলোও নির্দিষ্ট উপায়ে নষ্ট করে ফেলা উচিত। চিকিৎসা বর্জ্য নষ্ট করার নির্দিষ্ট পদ্ধতি ও নিয়ম রয়েছে। কিন্তু এখনও বড় বড় শহরে এটি নিয়ে তেমন সচেতনতা এবং পরিকাঠামো গড়ে ওঠেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *