
সোহানুর রহমান সোহান | ভৈরব অনলাইন ডেস্ক |
ভৈরবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৬ প্রতিষ্ঠান কে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা কালে , ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভৈরব উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভূমি) ইকবাল হোসেন রোমন। অভিযানে সহযোগী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভৈরব পৌরসভার সেনিটারী ইন্সপেক্টর নাছিমা বেগম, সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত, ভৈরব রিপোর্টাস ক্লাব ও ইউনিটির সভাপতি ও সাপ্তাহিক অবলম্বন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক তাজুল ইসলাম তাজ ভৈরবী, বাংলা টিভির ভৈরব প্রতিনিধি, এম.আর.সোহেল , রিপোর্টাস ক্লাব ও ইউনিটির প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম,দৈনিক নয়া শতাব্দীর ভৈরব প্রতিনিধি, এম.আর. রুবেল, বাংলা টিভি ৭১ ভৈরব প্রতিনিধি, মিজানুর রহমান পাটোয়ারী, মোহনা টিভি ও কালবেলা ভৈরব প্রতিনিধি, মোঃ জামাল মিয়া, বিজয় টিভির ভৈরব প্রতিনিধি, সোহানুর রহমান সোহান, দৈনিক নতুন সময় ভৈরব প্রতিনিধি, ইমন মাহমুদ লিটন, দৈনিক খোলা কাগজের ভৈরব প্রতিনিধি, আফসার হোসেন তূর্জাসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । এবং ভৈরব থানা পুলিশের কর্মকর্তা বৃন্দ। আজ ৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে ভৈরব বাজারে উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কে অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা কালে এ সময় অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য তৈরি এবং বিক্রি ও ভেজাল মসলা তৈরী ও সঠিক নিয়ম বিধি না মানায় এবং প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র না থাকায় দায়ে ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক কে মোট ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও একজনকে ২ সপ্তাহের সাজা প্রদান করা হয়। ভৈরব বাজার হলুদপট্টি এলাকায় ভেজাল মসলা তৈরীর কারখানার মালিক হামিদুল মিয়াকে ১ লক্ষ টাকা, অনাদায়ে ২ সপ্তাহের জেলে প্রেরণের সাজা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও রমেশ মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক নন্দন দাসকে ২০ হাজার টাকা, দারুচিনি রেস্টুরেন্ট ম্যানেজার হাজী কাজল মিয়াকে ২৫ হাজার টাকা, দুধ বাজার আম্মাজান হোটেল মালিক স্বপন মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা, আলমগীর হোটেল মালিক আলমগীরকে ২০ হাজার টাকা, টিনপট্টি এলাকায় ভগবতি মিষ্টান্নের মালিক দিলিপ দেবকে ২৫ হাজার টাকা, জরিমানা করা হয়েছে। এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল হোসেন বলেন, নিয়মিত অভিযান অব্যহত রাখতে নানা অনিয়ম ও ভেজাল খাদ্য যারা তৈরি করেন তাদের বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করার জন্য ভৈরবের সর্বস্তরে জনগণের প্রতি আহবান জানান তিনি।
