অনলাইন ডেস্ক :
নেপালের পোখারা বিমানবন্দরে ইয়েতি এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ৬৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। উড়োজাহাজটির যে দুই পাইলট মারা গেছেন তাদের একজন অঞ্জু খাটিবাডা। বিমানটির কো-পাইলট ছিলেন অঞ্জু। এই ফ্লাইটটি শেষ করলেই তিনি পাইলট পদে উন্নীত হতেন। গতকাল নেপালে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে বহু যাত্রীর সঙ্গে প্রাণ হারালেন তিনিও।
১৬ বছর আগে, ২০০৬ সালের ১২ জুন ইয়েতি এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় স্বামীকে হারিয়েছিলেন অঞ্জু। কো-পাইলট দীপকসহ পোখারেল জুমলা বিমানবন্দরে আরও ৯ জন নিহত হন। তার স্বামীও ইয়েতি বিমানের কো-পাইলট ছিলেন। অঞ্জুর স্বামী দীপক প্রথমে সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার চালাতেন। কিন্ত পরে ইয়েতি এয়ারলাইনসে যোগ দেন। স্বামীকে হারানোর চার বছর পর পাইলটের ওপর প্রশিক্ষণ শেষে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নেপালে ফিরে আসেন তিনি। ফিরে এসে যোগ দেন ইয়েতি বিমান সংস্থায়। ফিরেই (এটিআর) মডেলের উড়োজাহাজ চালানোর মধ্য দিয়ে পেশাজীবন শুরু করেন অঞ্জু খাতিওয়াদা, যা দেশটির সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ বিমান। ওই এটিআর মডেলের একটি উড়োজাহাজে বিধ্বস্তে নিহত হলেন। স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমে অঞ্জুর একজন আত্মীয় বলেন, পাইলট স্বামী ও স্ত্রীর পৃথক উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোর এমন কাকতালীয় ঘটনা বিরল।অঞ্জুর আত্মীয়রা জানান, নিহত অঞ্জু এবং দীপক রেখে গেছেন ২২ বছর বয়সি এক মেয়েসন্তানকে।
অনলাইন প্রিন্ট ভার্সন
Copyright By Dowa Media Group Limited