অনলাইন ডেস্ক :
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবনী পয়েন্ট। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সাগর উত্তাল। জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ থেকে ৪ ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। আর বালিয়াড়িতে টাঙানো হয়েছে লাল পতাকা।
রোববার (২৬ মে) এমন পরিস্থিতিতে সৈকতের লাবনী পয়েন্টে সাগরজলে'সহ সৈকতের প্রতিটি পয়েন্টে ভিড় করেছে কয়েক হাজার পর্যটক। তবে সকাল সাড়ে ৮ টার পর কাউকে নোনাজলে নামতে দিচ্ছে না লাইফ গার্ড কর্মীরা।
সী সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার এক কর্মী জানান, ‘ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে কক্সবাজারে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত (সবশেষ তথ্য) দেখানো হয়েছে। তাই সাগর উত্তাল রয়েছে। সৈকতের প্রতিটি পয়েন্টে টাঙানো হয়েছে লাল পতাকা। লাল পতাকা মানেই সতর্ক করা, যাতে কেউ সমুদ্রস্নানে না নামে। আমরা কাউকে সৈকতে সমুদ্রস্নানে নামতে দিচ্ছি না।’
আবহাওয়া অফিসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শনিবার মধ্যরাতে ঘূর্ণিঝড় রেমাল চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
অনলাইন প্রিন্ট ভার্সন
Copyright By Dowa Media Group Limited