
অনলাইন ডেস্ক :
দেশে এখন চালসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে সর্বোচ্চে পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাজার চলে গেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এদিকে সহনীয় রাখতে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন চাল বিদেশ থেকে আমদানির জন্য বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিয়েছে সরকার।
আমদানির শর্তে বলা হয়, বরাদ্দ পাওয়া আমদানিকারকদের আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সমুদয় চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে, আমদানি করা চালের পরিমাণ, গুদামজাত ও বাজারজাতকরণের তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে অবহিত করতে হবে, বরাদ্দের অতিরিক্ত আইপি ইস্যু বা জারি করা যাবে না, আমদানি করা চাল স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠানের নামে পুনঃপ্যাকেটজাত করা যাবে না এবং আমদানি করা বস্তায় চাল বিক্রি করতে হবে। এদিকে খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত আমদানির অনুমতি পেয়েছে ৪২৭টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। সর্বশেষ গত ১১ অক্টোবর আরও ৪৬টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে আরও ১ লাখ ৬১ হাজার টন চাল আমদানির জন্য অনুমতি দেয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার একটি গণমাধ্যমকে বলেন, চালের বাজার স্থিতিশীল রাখাসহ বিভিন্ন কারণে বেসরকারিভাবে চাল আমদানি অনুমতি দেয়া হচ্ছে। এজন্য আমদানি শুল্ক কমানোসহ আমদানিকারকদের বিভিন্ন সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও চালে কেউ অস্বাভাবিক মুনাফা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন খাদ্যমন্ত্রী।
